Class-1 Waiting List   |   Notice Class-9 admission   |   sure cash process for apply class-9   |   Notice - Admission Class-9-2020   |   Written test Mugda class-4 and 5   |   Written test Banasree clss-4 and 5   |   Written test Motijheel class-4 and 5   |   Written test result-2020 Mugda All girls   |   Written test result-2020 Bansree Bangla & English All girls   |   Written test result -2020 Motijheel Bangla & English All girls   |   Written test result-2020 Mugda Branch   |   Written Test result-2020 Motijheel Bangla & English version Class 2 & 3   |   Written test result-2020 Bansree Bangla & English Class 2 & 3   |  

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

 
প্রতিষ্ঠান পরিচিতি: মতিঝিলের প্রাণকেন্দ্রে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর অতীত গণপূর্ত অধিদপ্তরের এজিবি কলোনীর কর্মচারীদের ক্যান্টিন হিসেবে পরিচিতি ছিল। তৎকালীন এজিবি কলোনীর কয়েকজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে টিনশেড বেড়ার ঘরে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচয়ে আত্ম প্রকাশের পর তা এখন কলেজ (দ্বাদশ শ্রেণি) পর্যন্ত উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির মূল স্কুলসহ বনশ্রী এবং মুগদায় আরও দুইটা ব্রাঞ্চ আছে।  ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠান থেকে প্রথম এসএসসি  পরীক্ষায় অংশগ্রহণ  করে শিক্ষার্থীরা ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করে। এরপর থেকে প্রতি বছর বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল অর্জনের ক্ষেত্রে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে সগৌরবে এগিয়ে চলছে। শিক্ষাসহপাঠক্রম কার্যক্রমেও এ প্রতিষ্ঠানের সাফল্য বরাবরই উল্লেখযোগ্য। এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা। মতিঝিল ক্যাম্পাস (বাংলা মাধ্যম):    ১৯৬৫ সালের ১৫ মার্চ মতিঝিল এজিবি কলোনির শিক্ষানুরাগী বাসিন্দাদের উদ্যোগে আইডিয়াল একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।     ১৯৬৮ সালে জুনিয়র স্কুলে উন্নীত হয়।     ১৯৭২ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ হাই স্কুলে রূপান্তরিত হয়।     প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে এবং এলাকাবাসীর বিভিন্ন ধরণের অনুদানের দ্বারা প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ মরহুম মো: ফয়জুর রহমান টিনশেড ভবন থেকে পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠানটিকে পাঁচতলা ভবনে উন্নীত করেন।     মতিঝিল ক্যাম্পাসে জমির পরিমাণ ১ একর ২৬ শতাংশ (কলেজ ভবন সহ)।     প্রতিটি তলার ক্ষেত্রফল প্রায় ২০,০০০ বর্গফুট।    বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা  প্রায় ৭৫০০ জন ।  মতিঝিল ক্যাম্পাস (ইংলিশ ভার্সন):    ২০০৩ সালে মতিঝিল ক্যাম্পাসে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির মাধ্যমে ইংলিশ ভার্সন চালু হয় এবং পর্যায়ক্রমে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা হয়।     ২০০৬ সালে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আবেদনের মাধ্যমে সরকারি বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।     ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ১২তলা ভিতবিশিষ্ট ৭তলা ভবন নির্মাণ করা হয়। প্রতিটি তলার ক্ষেত্রফল প্রায় ৭০০০ বর্গফুট।     বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৫০০ জন। কলেজ :    ১৯৯০-৯১ শিক্ষা বছরে মতিঝিল ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের জন্য কলেজ শাখা চালু করা হয়।     প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে ১৯৯০ সালে ৫ তলা বিশিষ্ট কলেজ ভবন প্রতিষ্ঠা করা হয়।     এছাড়াও সরকারি এবং প্রতিষ্ঠানের যৌথ অর্থায়নে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০০৪ সালে দশ তলা ভিত বিশিষ্ট কলেজের একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে পর্যায়ক্রমে ১০তলা পর্যন্ত উন্নীত করা হয়।     বর্তমানে কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৪০০ জন। বনশ্রী ব্রাঞ্চ (বাংলা মাধ্যম):    ১৯৯৬ সালে খিলগাঁও (বর্তমানে রামপুরা) থানার বনশ্রীতে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে ২ একর জমি ক্রয় এবং সেমিপাকা ভবন নির্মাণ করে ১ম শ্রেণি থেকে ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৭০২ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে বনশ্রী ব্রাঞ্চ যাত্রা শুরু করে। অত:পর পর্যায়ক্রমে এ ব্রাঞ্চে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা হয়।     প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে স্থপতি সংসদ লি: কনস্ট্রাকশন ফার্মের তত্ত্বাবধানে ২০০৬ সালের ৫ অক্টোবর তারিখে ৬তলা ভিত বিশিষ্ট ৪তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণ করা হয়।  এ ভবনের প্রতি তলার ক্ষেত্রফল ১৪,৫০০ বর্গফুট।     বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬০০০ জন। বনশ্রী ব্রাঞ্চ (ইংলিশ ভার্সন):    ২০১২ সালে বনশ্রী ক্যাম্পাসে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত তিনশত ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে খোলা হয়েছে ইলিশ ভার্সন। বর্তমানে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম চলছে।     সরকারি এবং প্রতিষ্ঠানের যৌথ অর্থায়নে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০১৪ সালে শুরু করে ১০তলা ভিত বিশিষ্ট একটি ভবনের ৫তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়ে বর্তমানে উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজ চলমান আছে।     বর্তমানে  প্রায় ১৮৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। মুগদা ব্রাঞ্চ :    ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সাবের হোসেন চৌধুরীর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সার্বিক সহযোগীতায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে পূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মুগদা ব্রাঞ্চের নামে ১ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়।     ২০১১ সালের ২ মার্চ থেকে সেমি পাকা ভবনে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়।     ২০১১ সালের ৮ জুন তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠানটির নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং মুগদা ব্রাঞ্চ উদ্বোধন করেন।     প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ৮তলা ভিত বিশিষ্ট ৫তলা ভবনের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।    শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৬০০ জন । একাডেমিক কার্যক্রম :     গভর্নিং বডির সহযোগীতায় স্কুল ও কলেজ শাখাসহ মোট ৫৯২ জন শিক্ষক, ১৯ জন তৃতীয় শ্রেণি এবং ১৫১ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী দ্বারা প্রশাসনিক, একাডেমিক এবং বিভিন্ন সহায়ক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।     গভর্নিং বডির সম্মানিত সদস্যদের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি উত্তরোত্তর উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।     শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ ও আনুগত্যবোধ জাগিয়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিদিন কাস শুরুর ১৫ মিনিট পূর্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।     সমাবেশ শুরুর প্রথমেই পবিত্র কুরআন থেকে আয়াত পাঠ, তারপর জাতীয় সঙ্গীত এবং শপথ বাক্য পাঠ করা হয়।     অধ্যক্ষ, সহকারি প্রধান শিক্ষকবৃন্দ ও অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা সমাবেশে শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধের উপর বক্তব্য রাখেন।     স্কুল শাখায় ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম শুরু করা হয়।     প্রতিষ্ঠানের স্কুল শাখায় প্রভাতি ও দিবা ২টি শিফট এবং কলেজ শাখায় একটি শিফটে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। স্কুলে দিবা শিফটে টিফিন বিরতির পর ছাত্ররা জোহরের নামাজ জামাতের সাথে কলোনী মসজিদে ও স্কুলের নামাজ ঘরে আদায় করে।    স্কুল এবং কলেজ উভয় ক্ষেত্রে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডায়েরি, সিলেবাস ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রদানের মাধ্যমে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।     শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, আচার-আচরণ, দৈনিক রিপোর্ট অভিভাবকদের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যম হিসাবে একাডেমিক ডায়েরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।     প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে শ্রেণিভিত্তিক বছরের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস বই আকারে প্রদান করা হয়।     সিলেবাসে বিভিন্ন বিষয়ের প্রশ্নের ধরণ, মানবন্টন এবং সমগ্র বছরে পরীক্ষাসমূহ অনুষ্ঠানের রুটিনসহ ফলাফল ঘোষণার দিন, তারিখ, সময় নির্দিষ্ট করা থাকে।     একাডেমিক ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক প্রতিষ্ঠানের সারা বছরের একাডেমিক কার্যক্রম, বিভিন্ন প্রকার ছুটি, প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক অনুষ্ঠান, জাতীয় অনুষ্ঠান, বাৎসরিক বিভিন্ন পরীক্ষা এবং ফলাফল ঘোষণার তারিখ সম্পর্কে অবহিত হতে পারে।     কোন শিক্ষার্থী কাশে অনুপস্থিত থাকলে মোবাইল এস এম এস এর মাধ্যমে অভিভাবককে অবহিত করা হয়। ১৫ দিনের বেশী কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে যদি অভিভাবক/শিক্ষার্থীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ সম্ভব না হয় তা হলে বর্তমান ঠিকানায় পত্র প্রেরণ করা হয়।     স্কুল শাখায় শিক্ষার্থীদের শ্রেণি পাঠের উপর মূল্যায়ন করে ডায়েরি নম্বর প্রদান করা হয় যা সাংবৎসরিক পরীক্ষার ফলাফলের সাথে যোগ করা হয়।     স্কুল এবং কলেজে প্রতিমাসে শ্রেণি পরীক্ষা নেয়া হয়। শ্রেণি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর সাংবৎসরিক পরীক্ষার ফলাফলের সাথে যোগ করে মেধা তালিকা তৈরি করা হয়।     স্কুল এবং কলেজ শাখা উভয় ক্ষেত্রেই বিভিন্ন পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের পর ফলাফল প্রদানের পূর্বেই শ্রেণি শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীর মাধ্যমে অভিভাবকের নিকট প্রেরণ করেন। অভিভাবক তার সন্তানের খাতাগুলো পর্যবেক্ষণ করে স্বাক্ষর দিয়ে পুনরায় শ্রেণি শিক্ষকের নিকট ফেরত দেন।     শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনার জন্য শ্রেণিভিত্তিক অভিভাবকদের সঙ্গে বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক, সহকারি প্রধান শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।     দূর্বল এবং পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের অগ্রগতির জন্য অভিভাবকের সমন্বয়ে যৌথ প্রচেষ্টা এবং বিভিন্ন কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী  করা হয়।     প্রতিবছরই অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি, জে,এস,সি, এস,এস,সি এবং এইচ,এস,সি পরীক্ষায় শতভাগ পাশসহ ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করে।     প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়ম-নীতির পাশাপাশি স্কুল এবং কলেজের ভর্তি কার্যক্রম থেকে শুরু করে শ্রেণি কক্ষে পাঠ দান প্রক্রিয়া এবং পরীক্ষা পদ্ধতি ইত্যাদি সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন পরিপত্র এবং নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা করা হয়।     শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকিকরণ করার জন্য শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে পাঠদানসহ ডেসবোর্ডে এন্ট্রি করা হয়।     শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমসহ তাদের অবস্থান ইত্যাদি পর্যবেক্ষণের জন্য কোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো আছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার জন্য সুপেয় পানির উৎস হিসাবে প্রতিষ্ঠানের সকল ব্রাঞ্চে গভীর নলকূপ, সার্বক্ষনিক বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিতের জন্য ১২০ শঠ থেকে ২৫০ শঠ পর্যন্ত  ৫টি জেনারেটর, নিজস্ব সাবস্টেশনসহ সার্বক্ষনিক তদারকির জন্য একজন ডাক্তার ও তিনজন নার্স নিয়োজিত আছে।     নিয়মিত কাস রুটিনের সাথে প্রতিটি শ্রেণি শাখায় সপ্তাহে ২টি পিটি কাস অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের মাঠে শিক্ষার্থীরা পিটি কাসে বিভিন্ন রকম শরীর চর্চার পাশাপাশি, ফুটবল, ক্রিকেট, হ্যান্ডবল, কাবাডি ইত্যাদি খেলাধুলার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকে।     জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণের জন্য সাপ্তাহিক বন্ধের দিনগুলিতেও শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা অনুশীলনের জন্য কাজ করে থাকেন।     বিভিন্ন খেলাধুলায় শিক্ষার্থীবৃন্দ আন্ত: শ্রেণি প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করে নিজেকে প্রস্তুত করে তারপর প্রতিষ্ঠানের অন্য ব্রাঞ্চের সাথে প্রতিযোগীতা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতিযোগীতা করে নিজেকে দক্ষ করে তোলে। পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে সাফল্য ও কৃতিত্ব অর্জন করে আসে। বিভিন্ন রকম শরীরচর্চা ও খেলাধুলার পাশাপাশি অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য গঠনেরও যথেষ্ট সুযোগ পায়। সৃজনশীল কার্যক্রম :    লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমের সাথে অংশগ্রহণের জন্য অনুপ্রাণিত করা হয়। স্কাউট :    বাংলাদেশ স্কাউট, ঢাকা মেট্রোপলিটন এর ২৭ নং দল হচ্ছে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্কাউট দল। এখানে ৩টি বয়েজ কাব দল, ২টি গার্ল ইন কাব দল, ৩টি বয়েজ স্কাউট ও  ২টি গার্ল ইন স্কাউট এবং ১টি গার্ল ইন রোভার স্কাউট দল আছে।     আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কাউটবৃন্দ কৃতিত্বের সাথে ঢাকা মহানগরীর প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড ও শাপলা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।     অত্র প্রতিষ্ঠানের স্কাউটবৃন্দ ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, জাপান, সিঙ্গাপুর, হল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ভূটান, ইউকে, শ্রীলংকা, ইত্যাদি দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জাম্বুরিতে অংশ গ্রহণ করে কৃতিত্বের সাথে সফলতা অর্জন করেছে।     প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দূর্ঘটনা, ট্রাফিকের কাজে সহায়তাসহ বিভিন্ন সময় রাস্তা ঘাট, রমনা পার্ক পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি কাজে অত্র প্রতিষ্ঠানের স্কাউটবৃন্দ স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে।     স্কাউটের কার্যক্রমের অংশ হিসাবে দক্ষতা যাচাইয়ে প্রতিবছর জন্য নিয়মিতভাবে প্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন তাঁবু বাস অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে ১ দিনের ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।     অত্র প্রতিষ্ঠানে ৪০ জন বেসিক কোর্স সম্পন্ন এডাল্ট লিডার আছে, তন্মধ্যে ১৫ জন দলের সাথে যুক্ত। রেঞ্জার :    অত্র প্রতিষ্ঠানে একটি রেঞ্জার দল আছে। রেঞ্জারের ছাত্রীরা দক্ষতার সাথে তাদের বিভিন্ন সেবামূলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত আছে। বিএনসিসি :    ১৯৮২ সালে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিএনসিসি দল গঠিত হয়। এটি বিএনসিসি  ৪ রমনা ব্যাটালিয়ানের আলফা কোম্পানীর ২ নং প্লাটুন। সমগ্র বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অত্র প্রতিষ্ঠানেই প্রথম বিএনসিসি প্লাটুন খোলা হয়। ১৯৮৮ সাল থেকে প্রায় প্রতি বছরই অত্র প্রতিষ্ঠানের বিএনসিসির ক্যাডেটবৃন্দ সিইউও (ক্যাডেট আন্ডার অফিসার) পদে পদোন্নতি লাভ করে। স্কুল পর্যায় সিইউও পদটিই সর্বোচ্চ পদ।     ২০১৭ সালে অত্র প্রতিষ্ঠানে বিএনসিসির একটি ব্যান্ড দল অনুমোদন পায়।     প্রতি বছর বিএনসিসির ক্যাডেটবৃন্দকে দক্ষতা অর্জনের প্রশিক্ষণের জন্য জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়। রেডক্রিসেন্ট :    ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানে স্কুল ও কলেজ উভয় শাখায়ই রেডক্রিসেন্ট দল চালু হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক প্রশিক্ষণসহ রেডক্রিসেন্ট সদস্য অত্র প্রতিষ্ঠানে আছে। বর্তমানে সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩০০ জন। প্রতি বছর নতুনভাবে প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থী সদর দপ্তরের প্রশিক্ষক দ্বারা প্রশিক্ষণ নিয়ে আর্তমানবতার সেবায় আত্ম নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগমও বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য। সকল জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক দিবসে অত্র প্রতিষ্ঠানের রেডক্রিসেন্টের শিক্ষার্থীরা স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করে। বিভিন্ন কাব :    লেখাপড়ার পাশাপাশি বর্তমান যুগের  সাথে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন কাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীবৃন্দ সৃজনশীল কার্যক্রম এবং মতবিনিময় করার সুযোগ পায়। অত্র প্রতিষ্ঠানে বিতর্ক কাব, বিজ্ঞান কাব, ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ কাব, ন্যাচার স্টাডি কাব, বিজনেস কাব, সামাজিক কাব, সাংস্কৃতিক কাব ইত্যাদির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, টিভি ও রেডিও মাধ্যম ছাড়াও বিভিন্ন দেশ- রাশিয়া, জাপান ইউকে সহ আরও অন্যান্য দেশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন  অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে সাফল্য অর্জন করেছে।     একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে নানাবিধ বার্ষিক এবং জাতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।     একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি অত্র প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বার্ষিক বনভোজন, শিক্ষা সফর, সীরাতুন্নবী মাহফিল, বিদায় অনুষ্ঠান, নবীন বরণ ইত্যাদি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তন্মধ্যে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকমন্ডলীর মধ্যে বেশী উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। এ অনুষ্ঠানে প্রাথমিক সমাপনী এবং জেএসসি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণির সাংবৎসরিক ভাল ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করার পাশাপাশি গণিত, বাংলা, ইংরেজি বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্তি, সর্বোচ্চ উপস্থিতি, বাংলা-ইংরেজি সুন্দর হাতের লেখা, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান, ছড়া গান, রবীন্দ্র-নজরুল সঙ্গীত, হামদ্, নাত, কেরাত, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা, রচনা প্রতিযোগীতা, উত্তম আখলাক ও শ্রেষ্ঠ স্কাউটার ইত্যাদি বিষয়ে পুরস্কৃত করা হয়।     বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানসমূহ যেমন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ সরকারি নির্দেশ মোতাবেক প্রতিষ্ঠানে উদযাপন করা হয়, প্রয়োজনে অতিরিক্ত নির্দেশনা থাকলে তাও পালন করা হয়।     একাডেমিক এবং সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমসমূহ সহকারি প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, সহকারি শিক্ষক, বিষয়ভিত্তিক মডারেটর, সম্পাদক ও কর্মচারীদের সহযোগীতা নিয়ে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করে।     প্রতি মাসে দু’বার অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক, শৃঙ্খলা ইত্যাদি সার্বিক বিষয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষকবৃন্দের সাথে সভা করেন। পরবর্তীতে আলোচ্যবিষয় সমূহ বাস্তবায়ন করা হয়। প্রশাসনিক কার্যক্রম :    প্রতি অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যক্রমের ব্যয় বাবদ বাজেট তৈরি এবং গভর্নিং বডি কর্তৃক অনুমোদন করা ।     দৈনন্দিন ব্যয় বাদে যাবতীয় ব্যয় যথাসম্ভব সংশ্লিষ্ট হিসাব ধারীর ব্যাংক হিসাব নম্বরে চেক এর মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।     খাত ওয়ারি যাবতীয় ব্যয়ের হিসাব সাবসিডিয়ারি বইয়ে প্রতি মাসে উত্তোলন করা এবং কলামনার ক্যাশ বইয়ে খাত অনুযায়ি আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা হয়।     প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়নমূলক কাজের কারিগরি ও সার্বিক সুপারভিশনের জন্য পিপিআর এর নিয়ম মোতাবেক কনসালটেন্ট নিয়োগ করা অথবা প্রয়োজনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের স্থাপত্য ও পূর্ত বিভাগের সহযোগীতা নেয়ার বিষয়টি প্রথমে গভর্নিং বডিতে অনুমোদন করা হয়। পরবর্তীতে নিয়োগকৃত কনসালটেন্ট/গণপূর্ত অধিদপ্তর পিপিআর নিয়ম অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক দরপত্র তৈরি, দরপত্র আহ্বান এবং মূল্যায়ন করে কার্যাদেশ প্রদান এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করে।     শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আর্থিক অনুদানে প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজের যাবতীয় দায়িত্ব শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বহন করে।     তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ ক্রয় কিংবা মুদ্রণের ক্ষেত্রে ক্রয় নীতিমালা অনুসরণ করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদান ও প্রয়োজনে স্পট কোটেশনের মাধ্যমে দরপত্র আহ্বান করে নিয়ম মোতাবেক কার্যক্রম করা হয়।     বিধি মোতাবেক নির্মাণ কাজসহ অন্যান্য ক্রয়কৃত মালামালের ট্যাক্স এবং ভ্যাট পরিশোধ করা হয়।     শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের সাথে সাথে সরকারিভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষকের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব উদ্যোগে বিষয় ভিত্তিক অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দের ইন-হাউজ ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা হয়।     শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর ও অন্যান্য দপ্তর/অধিদপ্তরের সাথে সু-সম্পর্ক এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।  সুন্দর অবকাঠামো, শিক্ষা ও পাঠদানের উপযুক্ত পরিবেশ, নৈতিকতা, প্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিয়ম শৃঙ্খলা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গভর্নিং বডির সার্বিক সহযোগীতা এবং প্রত্যেক কাজের জবাব দিহিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সাফল্য বজায় আছে। ধন্যবাদ।
 

প্রয়োজনীয় লিংক

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
------------------------------------------------------------------------------------
শিক্ষা অধিদপ্তর
------------------------------------------------------------------------------------
ব্যানবেইস
------------------------------------------------------------------------------------
সকল লিংক দেখুন

ডাউনলোড্‌স

ggh
------------------------------------------------------------------------------------
সকল ডাউনলোড্‌স দেখুন

ডিজিটাল কনটেন্ট

বাণী চিরন্তণী

* তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করিও না এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করিও না। -আল কোরআন* যারা সৎ পথ অবলম্বন করে জিবিকা নির্বাহ করে তারা খোদা তা’আলার প্রিয় বন্ধু। -আল হাদিস* আত্ম জয়ের চেষ্টাই সর্বশ্রেষ্ঠ জেহাদ। - আল হাদিস* জ্ঞান ও অভিজ্ঞাতাই মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু। -মেরিডিথ ......
--------------------------------------------------------------------------------------